Any Question?

+8801856991116 / +8801714092903
কর্মক্ষেত্রে নারীর সাজপোশাক

কর্মক্ষেত্রে নারীর সাজপোশাক

সংসার ও অফিস দুটোই নিপুন হাতে সামলাতে হয় আজকের নারীদেরকে। ফলে পারিবারিক এবং কর্মক্ষেত্রের নানা চাপ সইতে হয় হাসিমুখে। নিজের মধ্যে গড়ে তুলতে হয় কর্পেরেট সংস্কৃতি। সে সংস্কৃতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি দিক হলো সাজপোশাক। আধুনিক নারীরা এ ব্যাপারে বেশ যত্নশীল থাকেন । মার্জিত, রুচিশীল, সময় ও বয়সের সঙ্গে মানানসই সাজপোশাক কর্মক্ষেত্রে প্রকাশ করে উন্নত রুচিবোধের ।

কর্মজীবী নারীদের দিনের বেশিরভাগ সময়ই থাকতে হয় বাইরে। তাই তার সাজের সাথে পোশাকটাও  চাই আরামদায়ক। কাজের পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাকটি যেন সহজেই সামলানো যায় ।

 

 

আজকাল কর্মজীবী নারীরা সালোয়ার-কামিজ ব্যবহারে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তবু বাঙালী নারীর কাছে শাড়ির আবেদন কম নয়। তাই কর্মক্ষত্রে হাল্কা রঙের সুতি, তাতঁ, কোটা, পাতলা কাজের সিল্ক বা জর্জেট শাড়ি বেছে নিতে পারেন। কর্মপরিবেশের সাথে মানাবে ভালো।

 

 

গরমের দিনে অফিসের পোশাকের জন্য বাছাই করা উচিৎ হালকা রঙ । যারা এয়ারকন্ডিশনড পরিবেশে কাজ করেন না তাদের জন্য সুতি পোশাকই ভালো। কারণ সুতি কাপড় সহজেই ঘাম শুষে নেয়।

 

 

 শীতকালে কাঁধের ওপর একটি ভালো মানের শাল রাখলে বেশ মানাবে। এছাড়া সাধারণ ডিজাইনের বুকচেরা সোয়েটার পরতে পারেন।

 

অফিসে গহনা পরার ক্ষেত্রে ছোট ছোট গহনা পরা ভালো। অফিসের সাজ সবসময়ই হালকা হওয়া উচিত। মুখে হালকা ফাউন্ডেশন অথবা ফেসপাউডার ব্যবহার করলে ভালো লাগবে। চোখে চিকোন কোরে কাজল বা আই লাইনার আর ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক লাগালেই অফিসের সাজ পূর্ণতা পাবে।

 

কর্মজীবী মেয়েদের ব্যাগ একটু বড় হওয়া উচিত। কারণ তাদের ব্যাগে প্রয়োজনীয় কার্ড, কাগজপত্র, নিজের আইডি কার্ড ,টিফিন বক্স, পানির বোতল ইত্যাদি সব জিনিস রাখার জায়গা হয়।

 

জুতা এবং ব্যাগের রঙ কাছাকাছি শেডের মধ্যে বাছাই করলে দেখতে ভাল লাগবে । ল্যাপটপ বহন করতে হলে বড় ব্যাগ বাছাই করুন।

 

 

সুগন্ধি ব্যবহার করতে ভুলবেন না। ভালো কোনো ব্রান্ডের ডিউডোরেন্ট বা পারফিউম ব্যবহার করুন।

অফিসে যাওয়ার জন্য এমন জুতা নির্বাচন করা উচিত, যা পরলে হাঁটা আরামদায়ক ও ফ্যাশনটা বজায় থাকে। শব্দ সৃষ্টি করে এমন জুতো পরিহার করুন। অফিসে কাজের ফরমাল পরিবেশে হিলের খটখট শব্দ মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।

 

কর্মজীবী নারী মানেই অনবরত কাজ করে যাওয়া নয়। তাই যতো ব্যস্তই থাকুন না কেন প্রতিদিন কিছুটা সময় বের করে নিজের যত্ন নিন। আপনি সুস্থ ও সুন্দর থাকলেই কর্মক্ষেত্রে সফলতা আনা সম্ভব।

Posted on: 20-Nov-2016

Recent Post

Latest Comment

Add to Cart